গবেষণাপত্রে এবস্ট্রাক্ট লিখবেন যেভাবে । How to write Research Paper Abstract



এবস্ট্রাক্ট । Abstract

একটা গবেষণাপত্রের ঠিক শুরুতেই এই অংশটা থাকে। সাধারনভাবে এবস্ট্রাক্ট এর বাংলা সারাংশ। অর্থাৎ পুরো গবেষণাপত্রের সারাংশ এই অংশটা, যেটা কিনা রিডারকে পুরো গবেষণা সম্পর্কে একটা ধারণা দিবে। এই ধারনাটা হবে মূল অবজেক্টিভ (উদ্দেশ্য), কোন কোন মেথডস (গবেষণা কৌশল) ব্যবহার করা হলো এবং গবেষণার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ফলাফল সম্পর্কে। 

সেটা আসলে কেমন? বা কিভাবে লিখবেন এবস্ট্রাক্ট?

গবেষণাপত্রের মূল অবজেকটিভ (এক বা একাধিক হতে পারে) কি ছিলো সেটা এবস্ট্রাক্টের শুরুতে থাকবে। এর ঠিক পরে আপনি রাখবেন মেথডস, অর্থাৎ আপনার গবেষণার জায়গা, কত গুলো স্যাম্পল (নমুনা) নিলেন, এবং এনালাইসিস করতে আপনি কোন ধরনের স্টাটিস্টিক্যাল মডেল ব্যবহার করলেন সেই সম্পর্কে ২/৩ লাইন।

এর পরেই মুলত আপনার গবেষণার মূল ফলাফল (মেইন ফাইন্ডিংস) থাকবে। দেখা যায় গবেষণায় বেশ কিছু ফাইন্ডিংস আপনি পাবেন। সব হয়ত আপনার রিসার্সের জন্য গুরুত্বপূর্ন বা না। সেই ক্ষেত্রে আপনাকে মনে রাখতে হবে শুধুমাত্র আপনার অবজেকটিভ রিলেটেড ফাইন্ডিংস বা আপনার কাছে গুরুত্বপুর্ন মনে হয় এমন ফাইন্ডিংস গুলোই এই অংশে রাখবেন।

শেষমেশ আপনাকে খুব ছোট করে এক দুই লাইনের কনক্লুশান বা রিকমেন্ডেশন দিতে হতে পারে। সেটা প্রয়োজন সাপেক্ষে। না দিলে খুব একটা অসুবিধা নেই, তবে সুযোগ থাকলে দেয়াটা বেটার।

Sections of abstract

Source: Gonalons-Pons, Pilar, and Christine R. Schwartz. “Trends in Economic Homogamy: Changes in Assortative Mating or the Division of Labor in Marriage?” Demography, vol. 54, no. 3, 2017, pp. 985-1005.

তাহলে এবস্ট্রাক্ট সেকশকে মুলত চারটা অংশে ভাগ করা যায়ঃ

১। রিসার্স অবজেক্টিভ

২। রিসার্স মেথডস

৩। মেজর ফাইন্ডিংস

৪। কনক্লুশান এন্ড রিকমেন্ডেশন।

কখন লিখবেন? 

এতদিনে আপনি হয়ত বুঝে গেছেন যে এবস্ট্রাক্ট কখন লিখতে হয়। যেহেতু এটি হচ্ছে রিসার্স সামারি সেহেতু আমরা এই অংশটা লিখবো একদম সবার শেষে। কারন পুরো গবেষণা শেষ না হওয়া পর্যন্ত আপনি সেটার সারাংশ বের করতে পারবেন না।  আর তাই আমরা আমাদের মেজর ফাইন্ডিংসটা পাওয়ার পরের লিখবো এই অংশটা। 

নিচের উদাহরণ দেখে নিন 

Figure: Sections of an Abstract


.

how to write research paper abstract in bangla

Comments